ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দুই-পক্ষের মারামারি, আহত,২,আতংক কুরআন প্রতিযোগিতা ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে: আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি  মা ইলিশ রক্ষায়: ১৬দিনের অভিযানে আটক ১২৭ জেলে, ৩১ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ লক্ষ্মীপুরে মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যা প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক এসোসিয়েশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা চন্দ্রগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দুই-পক্ষের মারামারি, আহত,২,আতংক

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • 33

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ভিতরে দুই-পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন আহত হয়েছে। আতংকিত হয়ে পড়েন, নার্স,চিকিৎসক ও রোগীরা। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। রাতে দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজে ২য় বর্ষ ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আলম ও তার সমর্থকদের সাথে জুয়েল হোসেন নামে এক ব্যক্তির সাথে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় হাসপাতালের জিনিসপত্রও ভাংচুর করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারেনা।
তবে জুয়েল হোসেনের দাবী, তিনি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে পূর্ব বিরোধের জেরে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম ও তার সমর্থকরা তার ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। কিন্তু এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম কোন কথা বলতে রাজি নয়।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদতর্শী সূত্রে জানায়, জুয়েল হোসেন রাতে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে। এসময় শাহেদ আলমের নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একদল গ্রুপ জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে জুয়েলকে বেদম মারধর শুরু করে। এরপর জুয়েল হোসেন ও শাহেদ আলম পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এসময় হাসপাতালের জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়। এঘটনার পর রোগী, নার্স ও চিকিৎকদের মধ্যে আতংকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে মানুষ আসে চিকিৎসা নিতে। সেখানে যদি চিকিৎসক ও নার্সরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকে। তাহলে কিভাবে চিকিৎসা দেয়া হবে। তবে কি কারনে দু-পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে,সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারেনা। এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দুই-পক্ষের মারামারি, আহত,২,আতংক

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দুই-পক্ষের মারামারি, আহত,২,আতংক

আডেট সময় ০১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ভিতরে দুই-পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন আহত হয়েছে। আতংকিত হয়ে পড়েন, নার্স,চিকিৎসক ও রোগীরা। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। রাতে দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজে ২য় বর্ষ ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আলম ও তার সমর্থকদের সাথে জুয়েল হোসেন নামে এক ব্যক্তির সাথে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় হাসপাতালের জিনিসপত্রও ভাংচুর করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারেনা।
তবে জুয়েল হোসেনের দাবী, তিনি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে পূর্ব বিরোধের জেরে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম ও তার সমর্থকরা তার ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। কিন্তু এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম কোন কথা বলতে রাজি নয়।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদতর্শী সূত্রে জানায়, জুয়েল হোসেন রাতে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে। এসময় শাহেদ আলমের নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একদল গ্রুপ জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে জুয়েলকে বেদম মারধর শুরু করে। এরপর জুয়েল হোসেন ও শাহেদ আলম পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এসময় হাসপাতালের জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়। এঘটনার পর রোগী, নার্স ও চিকিৎকদের মধ্যে আতংকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে মানুষ আসে চিকিৎসা নিতে। সেখানে যদি চিকিৎসক ও নার্সরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকে। তাহলে কিভাবে চিকিৎসা দেয়া হবে। তবে কি কারনে দু-পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে,সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারেনা। এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।