ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

শি জিনপিং- ট্রাম্প বৈঠকে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে

মেঘনার তীর ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে বেইজিং পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে বাণিজ্য, ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুকে গুরুত্ব দেবেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, স্থিতিশীলতা ও মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দেবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বৈঠকে বিশ্ব পরাশক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বেইজিং সফরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প-শি বৈঠক এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মাঝেই বৈঠক করবেন বিশ্বের অন্যতম দুই ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রায়শই শি জিনপিংকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে অভিহিত করলেও সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন পাল্টাশুল্ককে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে তাঁদের আসন্ন বৈঠকটিকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর উপায় হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রিয়েস বলেন, বৈঠকে ট্রাম্প অবশ্যই নির্ভার থাকবেন। আর রাষ্ট্রীয় সফর হওয়ায় তাকে সেভাবেই সংবর্ধনা দেবেন শি জিনপিং। তবে বৈঠকটি প্রকৃত অর্থে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা। কারণ, এই আলোচনা কেবল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিই নয়, বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এদিকে রয়টার্স বলছে, বৈঠকে ট্রাম্পের অগ্রাধিকার থাকছে মূলত তিনটি বিষয়ে- বাণিজ্য, ইরান ও তাইওয়ান।

এ প্রসঙ্গে আলেহান্দ্রো রিয়েস আরও বলেন, ‘বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন আরও বেশি মার্কিন পণ্য কেনে। বিমান ক্রয়ের বিষয়ে একটি চুক্তি নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া, ইরান নিয়েও কথা বলবেন তারা। পর্দার আড়ালে চীন যা করছে তার চেয়ে আরও বেশি কিছু করতে রাজি করাতে চাইবেন ট্রাম্প, যেন তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধের সমাধান করা যায়।’

আর বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাইওয়ানের বিষয়ে জিনপিংয়ের উদ্দেশ্য তিনটি এস’র ওপর কেন্দ্রীভূত। স্ট্যাবিলিটি বা স্থিতিশীলতা, স্ট্যাটাস বা মর্যাদা এবং সেন্স বা বিচক্ষণতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর স্থিতিশীলতা চায় চীন। কারণ সেখানকার সংঘাত সরাসরি দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। এছাড়া, শি জিনপিং দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন বলেও মত তাদের।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

শি জিনপিং- ট্রাম্প বৈঠকে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে

আডেট সময় ১১:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

মেঘনার তীর ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে বেইজিং পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে বাণিজ্য, ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুকে গুরুত্ব দেবেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, স্থিতিশীলতা ও মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দেবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বৈঠকে বিশ্ব পরাশক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বেইজিং সফরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প-শি বৈঠক এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মাঝেই বৈঠক করবেন বিশ্বের অন্যতম দুই ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রায়শই শি জিনপিংকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে অভিহিত করলেও সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন পাল্টাশুল্ককে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে তাঁদের আসন্ন বৈঠকটিকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর উপায় হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রিয়েস বলেন, বৈঠকে ট্রাম্প অবশ্যই নির্ভার থাকবেন। আর রাষ্ট্রীয় সফর হওয়ায় তাকে সেভাবেই সংবর্ধনা দেবেন শি জিনপিং। তবে বৈঠকটি প্রকৃত অর্থে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা। কারণ, এই আলোচনা কেবল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিই নয়, বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এদিকে রয়টার্স বলছে, বৈঠকে ট্রাম্পের অগ্রাধিকার থাকছে মূলত তিনটি বিষয়ে- বাণিজ্য, ইরান ও তাইওয়ান।

এ প্রসঙ্গে আলেহান্দ্রো রিয়েস আরও বলেন, ‘বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন আরও বেশি মার্কিন পণ্য কেনে। বিমান ক্রয়ের বিষয়ে একটি চুক্তি নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া, ইরান নিয়েও কথা বলবেন তারা। পর্দার আড়ালে চীন যা করছে তার চেয়ে আরও বেশি কিছু করতে রাজি করাতে চাইবেন ট্রাম্প, যেন তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধের সমাধান করা যায়।’

আর বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাইওয়ানের বিষয়ে জিনপিংয়ের উদ্দেশ্য তিনটি এস’র ওপর কেন্দ্রীভূত। স্ট্যাবিলিটি বা স্থিতিশীলতা, স্ট্যাটাস বা মর্যাদা এবং সেন্স বা বিচক্ষণতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর স্থিতিশীলতা চায় চীন। কারণ সেখানকার সংঘাত সরাসরি দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। এছাড়া, শি জিনপিং দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন বলেও মত তাদের।