ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি প্রথম ফ্লাইট দেশে ফিরলেন ৪৪৫ জন হাজী লক্ষ্মীপুরে চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুঁতে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ সমাজ পুর্নগঠনে সাংবাদিকদের সহযোগীতা চাইলেন সমাজকল্যানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার ৭৪ দিন পর দেশে ফিরল ইরাকে নিহত প্রবাসী হবি মিয়ার মরদেহ, আহাজারি লাউয়াছড়ায় তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ লক্ষ্মীপুরে মেঘনার পাড় যেন ‘মিনি কক্সবাজার’ জনসমুদ্র কমলনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঈদ পুনর্মিলনী ও মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, অপেক্ষা ট্রাম্পের

শি জিনপিং- ট্রাম্প বৈঠকে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে

মেঘনার তীর ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে বেইজিং পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে বাণিজ্য, ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুকে গুরুত্ব দেবেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, স্থিতিশীলতা ও মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দেবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বৈঠকে বিশ্ব পরাশক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বেইজিং সফরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প-শি বৈঠক এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মাঝেই বৈঠক করবেন বিশ্বের অন্যতম দুই ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রায়শই শি জিনপিংকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে অভিহিত করলেও সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন পাল্টাশুল্ককে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে তাঁদের আসন্ন বৈঠকটিকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর উপায় হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রিয়েস বলেন, বৈঠকে ট্রাম্প অবশ্যই নির্ভার থাকবেন। আর রাষ্ট্রীয় সফর হওয়ায় তাকে সেভাবেই সংবর্ধনা দেবেন শি জিনপিং। তবে বৈঠকটি প্রকৃত অর্থে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা। কারণ, এই আলোচনা কেবল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিই নয়, বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এদিকে রয়টার্স বলছে, বৈঠকে ট্রাম্পের অগ্রাধিকার থাকছে মূলত তিনটি বিষয়ে- বাণিজ্য, ইরান ও তাইওয়ান।

এ প্রসঙ্গে আলেহান্দ্রো রিয়েস আরও বলেন, ‘বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন আরও বেশি মার্কিন পণ্য কেনে। বিমান ক্রয়ের বিষয়ে একটি চুক্তি নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া, ইরান নিয়েও কথা বলবেন তারা। পর্দার আড়ালে চীন যা করছে তার চেয়ে আরও বেশি কিছু করতে রাজি করাতে চাইবেন ট্রাম্প, যেন তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধের সমাধান করা যায়।’

আর বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাইওয়ানের বিষয়ে জিনপিংয়ের উদ্দেশ্য তিনটি এস’র ওপর কেন্দ্রীভূত। স্ট্যাবিলিটি বা স্থিতিশীলতা, স্ট্যাটাস বা মর্যাদা এবং সেন্স বা বিচক্ষণতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর স্থিতিশীলতা চায় চীন। কারণ সেখানকার সংঘাত সরাসরি দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। এছাড়া, শি জিনপিং দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন বলেও মত তাদের।

Tag :
লেখকের তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি

শি জিনপিং- ট্রাম্প বৈঠকে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে

আডেট সময় ১১:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

মেঘনার তীর ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে বেইজিং পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে বাণিজ্য, ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুকে গুরুত্ব দেবেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, স্থিতিশীলতা ও মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দেবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বৈঠকে বিশ্ব পরাশক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বেইজিং সফরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প-শি বৈঠক এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মাঝেই বৈঠক করবেন বিশ্বের অন্যতম দুই ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রায়শই শি জিনপিংকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে অভিহিত করলেও সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন পাল্টাশুল্ককে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে তাঁদের আসন্ন বৈঠকটিকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর উপায় হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রিয়েস বলেন, বৈঠকে ট্রাম্প অবশ্যই নির্ভার থাকবেন। আর রাষ্ট্রীয় সফর হওয়ায় তাকে সেভাবেই সংবর্ধনা দেবেন শি জিনপিং। তবে বৈঠকটি প্রকৃত অর্থে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা। কারণ, এই আলোচনা কেবল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিই নয়, বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এদিকে রয়টার্স বলছে, বৈঠকে ট্রাম্পের অগ্রাধিকার থাকছে মূলত তিনটি বিষয়ে- বাণিজ্য, ইরান ও তাইওয়ান।

এ প্রসঙ্গে আলেহান্দ্রো রিয়েস আরও বলেন, ‘বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন আরও বেশি মার্কিন পণ্য কেনে। বিমান ক্রয়ের বিষয়ে একটি চুক্তি নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া, ইরান নিয়েও কথা বলবেন তারা। পর্দার আড়ালে চীন যা করছে তার চেয়ে আরও বেশি কিছু করতে রাজি করাতে চাইবেন ট্রাম্প, যেন তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধের সমাধান করা যায়।’

আর বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাইওয়ানের বিষয়ে জিনপিংয়ের উদ্দেশ্য তিনটি এস’র ওপর কেন্দ্রীভূত। স্ট্যাবিলিটি বা স্থিতিশীলতা, স্ট্যাটাস বা মর্যাদা এবং সেন্স বা বিচক্ষণতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর স্থিতিশীলতা চায় চীন। কারণ সেখানকার সংঘাত সরাসরি দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। এছাড়া, শি জিনপিং দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন বলেও মত তাদের।