স্টাফ রিপোর্টার:খুলনার দাকোপে র্যাব এর গাড়ী থেকে আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় র্যাব এর একটি গাড়ীর সামনের গ্লাস ভাংচুর হয়েছে। শনিবার দুপুরে চালনা পৌরসভার আসাবুয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে দাকোপ থানার একটি টিম গিয়ে Rab এর সদস্যদের থানায় নিয়ে আসে। দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত শেখ খায়রুল বাশার ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, পরে বিস্তারিত জানানো হবে। র্যাব এর টিম ওখানে স্থানীয়দের একটি বিক্ষোভ চলছিলো সেখান থেকে দুই জনকে আটক করে। তখন স্থানীয়রা দুইজনকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের একটি টিম তাদের থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে তারা থানায় আছে। এখনও তাদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ বা আইনানুগ ব্যবাস্থা গ্রহনের আহ্বান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, পানখালী গ্রামের খোনাগ্রামে ঢাকী নদীর পানি উন্নয়ন বোর্ড অব্দার বাইরে থাকা ২০ একর জমির ঘের নিয়ে রাশেদ কামাল ও তার সহযোগী আব্দুল্লাহ ফকির এর সাথে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বাচ্চু ফকির সহ স্থানীয়ের সাথে দ্বন্দ চলছিলো বেশ কয়েকদিন ধরে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার থানায় বসাবসি ও মামলাও হয়েছে পাল্টাপাল্টি। এ নিয়েই স্থানীয়রা বিক্ষোভ ফকরছিলো আসাবুয়া বাজারে। এ সময় Rab -06 এর একটি টিম সেখানল থেকে রসুল সানি ও মুকুন্দ নামে দুই জনকে আটক করে। সে সময় স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে তাদের ছারিয়ে নেই।
এই নিয়ে সাবেক পৌর বিএনপির আহবায়ক শেখ মোজাফফর হোসেন বিএনপি অফিসে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করেন। শেখ মোজাফফর হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভূমিহিন হিসাবে বন্দোবস্ত পাওয়া গ্রামবাসীর ঘের রাশেদ কামাল ও তার সহযোগী আব্দুল্লাহ ফকির দখলের চেষ্টা করছে অনেকদিন ধরে৷ রাশেদ কামাল এখানকার একটি রিসোর্ট এর মালিক। তার বাড়ী মাগুরার শ্রীপুরে। এ নিয়ে গত একমাস যাবৎ থানায় বসাবসি হচ্ছে। এর মধ্যে গত একুশ মে তারিখ রাশেদ কামাল ও আব্দুল্লাহ ফকির নিরীহ গ্রামবাসীর নামে মামলা করে। তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছিলো গ্রামবাসী। সেখান থেকে রাশেদ কামাল গংদের মামলার আসামী রসুল সানা ও মুকুন্দকে সাদা পোশাকে এসে আটক করে। তখন গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে তাদের বাঁধা দেয় ও আসামী ছিনায়ে নেয়। আমরা স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। এবং সংবাদ সম্মেলন করে নিরীহ গ্রামবাসীকে হয়রানী না করার আহ্বান জানায়। তিনি আরো জানান আমাদের সাবেক বাচ্চু ফকির খোনা গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়দের নামে মামলা হওয়ায় ও বিএনপির নেতা হিসাবে গ্রামবাসী তার কাছে সাহায্য চেলে তিনি তাদের ব্যাপারে কথা বলেন একজন রাজনীতিবীদ হিসাবে।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, মূলত রাশেদ কামাল একজন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট। তৎকালীন শেখ বাড়ীর শেখ হেলাল ও সোহেলদের সাথে তার সম্পর্ক ভালো। তার রিসোর্টে পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের যাতায়াত। সেই সুবাদে সে নিরীহ গ্রামবাসীর জমি দখল করছেন। আবার তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ো হয়রানি করছেন।
এ বিষয়ে রাশেদ কামাল এর সহযোগী আব্দুল্লাহ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঐ জমি আমাদের কেনা জমি। এটা নিয়ে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে। তারপরও বিএনপির নেতারা তাদের দল ক্ষমতায় বলে জোর করে ভোগদখল করতে চায়।
এ সময় তাকে অব্দার বাইরে জমি সব সময় সরকার অধিগ্রহনকৃত জমি হয় বললে তারা কিভাবে ক্রয় করলেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, জমির প্রকৃত মালিকরা এ নিয়ে মামলা করেছেন। আমাদের কাছে বিক্রি করেছেন। বর্তমানে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে। আমি সব কাগজপত্র দেখাতে পারবো।
সংবাদ শিরোনাম :
র্যাবের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই,পরে উদ্ধার করে থানায় নেয় পুলিশ
-
মেঘনার তীর - আডেট সময় ০৭:২৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- 21
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ




















