ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক এসোসিয়েশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা চন্দ্রগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও নারীসহ চারজন আহত, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৭:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • 67

স্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আলীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন জমি নিয়ে বিরোদের জের ধরে দুই পক্ষের মদ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার বাঞ্ছানগর এলাকায় এঘটনা ঘটে। এসময় হোসেনের লোকজনের হামলায় পাঁচজন আহত হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়,  আমার স্বামী একজন বিজিবি সদস্য এবং আমার দেবর ঢাকায় ব্যাবসা করেন। বাড়িতে আমি, আমার শাশুড়ি ও আমার অসুস্থ শ্বশুর থাকি। তোফাজ্জল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আমার শ্বশুরের ক্রয়কৃত সম্পত্তি আমার শাশুড়িকে দেন। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে হোসেনের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। সে আমাদের উক্ত সম্পত্তি দখলে নিতে সাইফুল ছাদেক বাবুর সহযোগিতায় আমাদের নানাভাবে হয়রানি করে এবং আমার শ্বশুর ও শাশুড়িকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা হলে আমরা কোন মামলা মোকদ্দমা করিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন জাগায় সালিশেও আমরা উক্ত সম্পত্তির মালিক হয়।
হোসেন আমাদের উক্ত সম্পত্তিতে বিল্ডিং করতে গেলে আমরা বাঁধা প্রদান করি এবং আমরা আমাদের জমিতে একটি ঘর নির্মাণ করি। এনিয়ে আদালতে আমাদের দু’পক্ষের মামলা এবং স্থানীয়ভাবে সালিশও চলমান রয়েছে। আমাদের সম্পত্তি ও আমাদের বাড়ি একই স্থানে হওয়ায় আমরা উক্ত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা ঘরে বসবাস করতে থাকি। ঘটনার সময় আমার স্বামী ছুটিতে বাড়িতে ছিল এবং আমার দেবর ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে।

তোফাজ্জল হোসেন, তার সহযোগী সাইফুল ছাদেক বাবু, মিনহাজ উদ্দিন, মো. রহিম, রবিন হোসেন, মুন্নি আক্তার, রেহেনা বেগম, ইমন হোসেন ও ইমু আক্তারসহ অজ্ঞতা সন্ত্রাসীরা দা, ছেনী, লাঠি, লোহার রড নিয়ে আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি ও আমার দেবেরে ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা আমাদের ঘর ভাঙচুর করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। তারা আমাদের ঘরের মালামাল পার্শ্ববর্তী আলিয়া মাদ্রাসার পুকুরে পেলে দেয়। তাদের হামলায় আমার শ্বশুর-শাশুড়ি ও আমার দেবর গুরুতর আহত হয়।  এ সময় আমার স্বামী এগিয়ে আসলে তাকেও তারা লাঞ্ছিত করে। হোসেন ও বাবুসহ সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

কিন্তু ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য হোসেন,সাইফুল ছাদেক বাবু প্রভাব খাটিয়ে থানায় আমার স্বামী, আমার শ্বশুর, আমার দেবর, আমাদের নিকট আত্মীয় শাকিব পাটোয়ারীসহ আমাদের পার্শ্ববর্তী কয়েকজনকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে। আমার শ্বশুর একজন হার্টের রোগী তাকেও তারা এখন মামলার আসামি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এর আগে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তারাও একই অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক এসোসিয়েশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা

লক্ষ্মীপুরে বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও নারীসহ চারজন আহত, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আডেট সময় ০৭:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আলীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন জমি নিয়ে বিরোদের জের ধরে দুই পক্ষের মদ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার বাঞ্ছানগর এলাকায় এঘটনা ঘটে। এসময় হোসেনের লোকজনের হামলায় পাঁচজন আহত হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়,  আমার স্বামী একজন বিজিবি সদস্য এবং আমার দেবর ঢাকায় ব্যাবসা করেন। বাড়িতে আমি, আমার শাশুড়ি ও আমার অসুস্থ শ্বশুর থাকি। তোফাজ্জল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আমার শ্বশুরের ক্রয়কৃত সম্পত্তি আমার শাশুড়িকে দেন। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে হোসেনের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। সে আমাদের উক্ত সম্পত্তি দখলে নিতে সাইফুল ছাদেক বাবুর সহযোগিতায় আমাদের নানাভাবে হয়রানি করে এবং আমার শ্বশুর ও শাশুড়িকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা হলে আমরা কোন মামলা মোকদ্দমা করিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন জাগায় সালিশেও আমরা উক্ত সম্পত্তির মালিক হয়।
হোসেন আমাদের উক্ত সম্পত্তিতে বিল্ডিং করতে গেলে আমরা বাঁধা প্রদান করি এবং আমরা আমাদের জমিতে একটি ঘর নির্মাণ করি। এনিয়ে আদালতে আমাদের দু’পক্ষের মামলা এবং স্থানীয়ভাবে সালিশও চলমান রয়েছে। আমাদের সম্পত্তি ও আমাদের বাড়ি একই স্থানে হওয়ায় আমরা উক্ত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা ঘরে বসবাস করতে থাকি। ঘটনার সময় আমার স্বামী ছুটিতে বাড়িতে ছিল এবং আমার দেবর ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে।

তোফাজ্জল হোসেন, তার সহযোগী সাইফুল ছাদেক বাবু, মিনহাজ উদ্দিন, মো. রহিম, রবিন হোসেন, মুন্নি আক্তার, রেহেনা বেগম, ইমন হোসেন ও ইমু আক্তারসহ অজ্ঞতা সন্ত্রাসীরা দা, ছেনী, লাঠি, লোহার রড নিয়ে আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি ও আমার দেবেরে ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা আমাদের ঘর ভাঙচুর করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। তারা আমাদের ঘরের মালামাল পার্শ্ববর্তী আলিয়া মাদ্রাসার পুকুরে পেলে দেয়। তাদের হামলায় আমার শ্বশুর-শাশুড়ি ও আমার দেবর গুরুতর আহত হয়।  এ সময় আমার স্বামী এগিয়ে আসলে তাকেও তারা লাঞ্ছিত করে। হোসেন ও বাবুসহ সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

কিন্তু ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য হোসেন,সাইফুল ছাদেক বাবু প্রভাব খাটিয়ে থানায় আমার স্বামী, আমার শ্বশুর, আমার দেবর, আমাদের নিকট আত্মীয় শাকিব পাটোয়ারীসহ আমাদের পার্শ্ববর্তী কয়েকজনকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে। আমার শ্বশুর একজন হার্টের রোগী তাকেও তারা এখন মামলার আসামি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এর আগে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তারাও একই অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন।