তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, তাদের বর্তমান লংমার্চ কর্মসূচি সরকারপতনের জন্য নয়, বরং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নের দাবিতে পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার তাগিদ দিয়ে জামায়াত নেতা বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্থিতিশীল ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সচেতনতামূলক এই ক্যাম্পেইনে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এ আর হাফিজুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাছিরুদ্দিন মাহমুদ, শহর জামায়াত আমির অ্যাডভোকেট আবুল ফাহার নিশান এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মমিনউল্লাহ পাটওয়ারীসহ স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা।
মেঘনার তীর 


















