রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অটোরিকশাচালক কিশোর হত্যা মামলার ৪৮ ঘন্টায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ঘাতককে। সোমবার (৪ মে) বিকালে চাঁদপুর সদরের ওয়ার্লেস মোড়ে মেথরপট্রি এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন ফেইসবুকে ছবি দেখে আটক করে পুলিশে সংবাদ দেন।
সোমবার রাত ৮টায় শতাধিক গ্রামবাসী ঘাতকের আটকের সংবাদ শুনে তার ফাঁসির দাবিতে থানা সামনে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ করে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঘাতক সোহেল অরফে গিয়াস উদ্দিন গেসু (৪৭) রায়পুরের চরআবাবিল ইউপির চরপাঙ্গাসিয়া শিমুলতুলি এলাকা সাহাবুদ্দিনের ছেলে। এসময় তার স্ত্রী ও পালিত বানরও সঙ্গে ছিলো। নিহত কিশোর অটোরিকশাচালক রাজিব হোসেন (১৪) উপজেলার দক্ষিণ গাইয়ার গ্রামের অটো চালক মোস্তফার ছেলে।
শনিবার (২ মে) দুপুর ১টার দিকে রায়পুরের চরআবাবিল ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের ক্যাম্পের হাট স্কুলের পশ্চিম পাশের সুপারি বাগান থেকে রাজিবের মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এঘটনায় ওইদিনই রায়পুর থানায় সোহেলকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহত রাজিবের পিতা রিকশাচালক মোঃ মোস্তফা।
নিহতের পিতা মোস্তফা জানান, শুক্রবার রাত ৮টায় রাজিব বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। রাত ৩টার দিকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তার মোবাইল ফোনে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। শনিবার দুপুরে সুপারি বাগানের ভেতরে রাজিবের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাজিবের মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘাতক সোহেল অটোরিকশা নিতে না পেরে রাজিবকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, “ নিহত রাজিবের ঘাতক সোহেলের আটকের সংবাদ পেয়ে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। রাজিবকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে সোহেল অরপে গিয়াস উদ্দিন। এসময় তার স্ত্রী ও একটি বানরও সঙ্গে ছিলো।
মেঘনার তীর 





















